বাংলাদেশ, বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৬, ২০২৬

অপরাধ সনাক্তে রাজশাহী নগরীর অধিকাংশ সিসি ক্যামেরা অকেজো

স্বপ্নের বাংলাদেশ বার্তাকক্ষ

স্টাফ রিপোর্টার

published: 03 August, 2025, 06:03 PM

অপরাধ সনাক্তে রাজশাহী নগরীর অধিকাংশ সিসি ক্যামেরা অকেজো

রাজশাহী মহানগরীর সড়কে চলাচলকারি পথচারি ও যানবাহনের নিরাপত্তা তথা জনসুরক্ষা নিশ্চিতে স্থাপন করা প্রায় সাড়ে চারশ সিসি ক্যামেরা (ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা)’র অধিকাংশই এখন ভাঙ্গা। সিসি ক্যামেরাগুলো ভঙ্গুর অবস্থায় ঝুলছে সড়কের পাশে থাকা ল্যাম্পপোস্ট ও স্থাপনাগুলোতে। কোন কোন স্থানে খুঁজেও পাওয়া যায়নি সিসি ক্যামেরার কোন অস্থিত্ব। কোথাওবা সিসি ক্যামেরার বাইরের বক্সটির একাংশ ঝুলে আছে ল্যাম্পপোস্টের সাথে। কোন কোন স্থানের ল্যাম্পপোস্টে দেখা মেলে ক্যামেরা ও বক্সবিহীন শুধুমাত্র লোহার এ্যাঙ্গেলের অস্থিত্ব। কোথাওবা আবার সেটারও দেখামেলা ভাল আছে শুধু ভঙ্গুর এ্যাঙ্গেলের অংশবিশেষের সাথে দু-একটা স্ক্রু। প্রায় এক বছর ধরে রাজশাহী শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর এমন অবস্থা বিরাজ করছে। অকার্যকর এই সিসি ক্যামেরাগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে প্রতিনিয়তই নগরীজুড়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে অপরাধ প্রবণতা। বৃদ্ধি পেয়েছে কিশোর গ্যাং আর প্রকট শব্দ ফাটিয়ে ভয়ঙ্কর গতিতে বাইকারদের দৌরাত্ম। রাস্তায় সংগঠিত অপরাধের তথ্য-উপাত্ত ও প্রয়োজনীয় প্রমাণাদি প্রশাসনের হস্তগত হবার সুযোগ নষ্ট হচ্ছে সিসি ক্যামেরার অনুপস্থিতিতে। ডিজিটাল ও সাইবার যুগে ভিডিও ফুটেজ ব্যতীত অপরাধী চিহিৃত করার বিষয়টি বেশ কঠিণ ও চ্যালেঞ্জিং একটি বিষয়। তাই অপরাধ প্রবণতা হ্রাসসহ অপরাধীকে চিহিৃত করতে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ অতিব জরুরী বলে মন্তব্য সংশ্লিষ্টদের। বিভাগীয় শহর রাজশাহী আয়তনে বাংলাদেশের ৬ষ্ঠ এবং জনসংখ্যায় ৯ম বৃহত্তম মহানগর। ৯৬.৭২ বর্গ কিলোমিটারের শহরটি দেশের সর্বত্রই শিক্ষানগরী হিসেবেই পরিচিত।


শহরটি দেশের সর্বত্রই শিক্ষানগরী হিসেবেই পরিচিত।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বহুমুখী অপরাধ দমনে ও অপরাধী শনাক্তে ২০২১ সালে নগরীর প্রবেশদ্বারগুলোসহ মহানগরজুড়ে স্থাপন করা হয়েছিল সিসি ক্যামেরা। আরএমপির তৎকালিন পুলিশ কমিশনারের উদ্যোগে রাজশাহী মহানগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে বসানো হয়েছিল সাড়ে চারশর অধিক শক্তিশালী সিসি ক্যামেরা। সিসি ক্যামেরাগুলোর ধারণকৃত ফুটেজ সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণে রাজশাহী মহানগর পুলিশ স্থাপন করেছিল সাইবার কমান্ড কন্ট্রোল সেন্টার। যেখানে বসে প্রায় পুরো মহানগর পর্যবেক্ষণে রাখতো আরএমপি। সিসি ক্যামেরার বদলতে আরএমপির সফলতাও নেহাতই কম নয়।

নগরীর অধিকাংশ সিসি ক্যামেরা ভাংচুরের ঘটনা ঘটলেও আজ অবদি সেগুলো মেরামত বা প্রতিস্থাপন করতে পারেনি আরএমপি (রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ) ও রাসিক (রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন) কর্তৃপক্ষ। এমন পরিস্থিতিতে সচেতনব্যক্তি ও নগরবাসি বিষয়টিকে ভীতিকর পরিস্থিতির সাথে তুলনা করে বলেন, নাগরিক সুরক্ষার ঝুঁকিতে বসবাস করতে হচ্ছে আমাদের। সিসি ক্যামেরার অনুপস্থিতিতে নগরবাসি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত বিষয়টিকে অতিজরুরী সেবার আওতায় এনে স্বল্প সময়ের মধ্যে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা। দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনায় নাগরিক সেবা ও নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়া উচিত। রাজশাহী শহরের চওড়া আর জ্যামহীন স্মুথ রাস্তাগুলোতে ভ্রাম্যমান (চলমান) অপরাধ প্রবণতার ঝুঁকি বেশি। সেটারই একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ হতে পারে বেপরোয়া গতিতে বাইক চালানোর প্রবণতার সাথে ছিনতাইয়ের ঘটনাগুলো। বর্তমানে দেশের অন্যান্য স্থানের মতো রাজশাহী শহরেও ঘটেছে নানা অপরাধ। চলতি বছরের ২০ এপ্রিল রোববার সকাল সাড়ে আটটার দিকে রাজশাহী নগরের ঘোড়ামারা এলাকায় চোখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে একটি দোকানের ব্যবস্থাপকের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। নগরের বোয়ালিয়া থানা থেকে মাত্র ৪০০ মিটার দূরে মোটরসাইকেলে করে আসা ছিনতাইকারীরা রিক্সাযোগে যাওয়া রিলায়েন্স অটো প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক দিলীপ কুমার প্রামাণিকের হাতে থাকা টাকার ব্যাগটি ছিনিয়ে নিয়ে যায়। ১৬ জুলাই’২০২৫ তারিখে রাজশাহীর রানীনগর রেশমপট্টি ইসকন মন্দিরের সামনে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী পারভেজ হাসান ও তাঁর স্ত্রী লক্ষ্মীপুর মোড় হয়ে অটোরিকশাযোগে রামচন্দ্রপুর নিজ বাড়িতে ফেরার সময় মোটরসাইকেল যোগে আসা দুই ব্যক্তি তাদের গতিরোধ করে দেশিয় অস্ত্রের মূখে দুটি মোবাইল ফোন, নগদ ১৫,৮০০ টাকা ও পাঁচটি ব্যাংকের এটিএম কার্ড ছিনিয়ে নেয়। ১৩ মে ছিনতাইয়ের সাথে ঘটে শ্লীলতাহানির মতো নোংরামির ঘটনাও। নগরীর সিটিহাট এলাকা দিয়ে প্রাইভেট কারে যাচ্ছিলেন মতিহার থানার একজন পুলিশ সদস্য। গাড়িতে তাঁর মামা, ভাগনে এবং মামাতো বোনও ছিলেন। সিটিহাট এলাকায় কয়েকজন যুবক সিগন্যাল দিয়ে গাড়িটি থামান। এরপর গাড়িতে থাকা মেয়েকে দেখে তাঁদের হেনস্তার চেষ্টা করেন। ভুক্তভোগী পুলিশ সদস্য পরিচয় দেবার পরেও গাড়িতে থাকা মেয়েটিকে শ্লীলতাহানি চেষ্ঠা করা হয়। এরপর একটি মুঠোফোন ছিনিয়ে নেন তাঁরা। এ সময় ৫০ হাজার টাকা চাঁদাও দাবি করা হয়। পরে মানিব্যাগে থাকা দুই হাজার টাকা কেড়ে নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় শাহমখদুম থানায় একটি মামলা করা হয়। চলতি বছরের ২৪ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় নগরের মাদ্রাসা মাঠ সংলগ্ন রাস্তায় ডিগ্রি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী রনি হোসেনের গলায় চাকু ধরে ৪ হাজার ২০০ টাকা কেড়ে নিয়ে যায় ছিনতাইকারিরা। যাওয়ার সময় বলে যায়, ‘প্রাণভিক্ষা দিলাম, কাউকে বলবি না।’ ২২ ডিসেম্বর’২০২৪ তারিখ সন্ধ্যার পর ঘোষপাড়া থেকে প্রাইভেট শেষ করে রিকশা নিয়ে মালোপাড়ার দিকে যাওয়ার সময় পুলিশ বক্স এর সামনে পেছন থেকে মোটরসাইকেল যোগে ২ জন ছেলে চলন্ত অবস্থায় সারা জেরিন নামের এক শিক্ষার্থীর ব্যাগ ধরে টান মেরে ছিনতাই করে নিয়ে চলে যায় ছিনতাইকারিরা। বিষয়টি নিয়ে ভুক্তভোগী সারা জেরিন তার নিজস্ব ফেসবুক পেইজে ছিনতাইয়ের ঘটনাটিকে ‘ফিল্মি স্টাইলে ছিনতাই’ ট্রিট করে বর্ণনাপূর্বখ একটি পোস্ট দেন। একই স্থানে সোহেল রানা নামের এক যুবকের ২ টা মোবাইল ফোন সহ মানিব্যাগ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছিল সারা জেরিনের ঘটনাই মাসখানেক আগে।


ছিনতাই-মারামারি-কিশোর গ্যাংয়ের দুপক্ষের শোডাউনসহ সমজাতীয় অপরাধ প্রবণতার আস্ফালন প্রায়শই ঘটছে নগরীতে। নগরের খুলি পাড়া এলাকায় ঘটেছে দেশি অস্ত্রের প্রদর্শণী ছাড়াও গোলাগুলির ঘটনাও। সিভিল সার্জনের বাংলো থেকে শুরু করে রিভারভিউ স্কুল হয়ে সিএন্ডবি পর্যন্ত একাধিক স্থানে সংঘটিত হয়েছে কিশোর গ্যাংয়ের মধ্যে হাতাহাতি-মারামারি সহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও দোকান ভাংচুরের মতো ঘটনাও। দেশের রাজনীতির উত্তপ্ত পরিবেশের কারণে দেশের অন্যান্য স্থানের মতো রাজশাহী শহরের প্রায় প্রতিনিয়তই চলছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি, সভা-সমাবেশ, মিছিলসহ অন্যান্য দলীয় কর্মকান্ড। নগরীর সাধারণ পথচারি-ব্যবসায়ি ও অন্যান্য শ্রেণিপেশার মানুষের মতো দলীয় কর্মকান্ডের নিরাপত্তার বিষয়টিও নির্ভর করে শহরের বিভিন্ন স্থানে সচল সিসি ক্যামেরার উপর বলে মন্তব্য নগরবাসির। সিসি ক্যামেরাহীন নগর সড়ক কতটা সুরক্ষিত সেটা সংশ্লিষ্ট কর্তা-ব্যক্তিরাই বলতে পারবেন বলে দায় ছেড়ে কথা বলেন নগরীর সচেতন ব্যক্তিদের অনেকেই।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীতে কর্মরতরা বলেন, আগে নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় সিসি ক্যামেরা থাকায় অপরাধ দমন অনেকটা সহজ ছিলো। তবে নগরীর বিভিন্ন স্থানের সিসি ক্যামেরা ভেঙে ফেলা হয়েছে। পুড়িয়ে ফেলা হয় রাজশাহী মহানগর পুলিশ সদর দপ্তরসহ সাইবার ক্রাইম ইউনিটের কন্ট্রোলরুম। বর্তমানে বিভিন্ন এলাকা ও সড়ক সংলগ্ন বিভিন্ন শো-রুম-দোকান, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, মূল রাস্তা সংলগ্ন বহুতল ভবনসহ ব্যক্তিগতভাবে বসানো সিসিটিভি ক্যামেরাই এখন ভরসার প্রধান ও অন্যতম সহায়ক ব্যবস্থা। কোনো ঘটনা ঘটলে ঘটনাস্থলের আশপাশে বসানো ক্যামেরার ফুটেজ দেখে অপরাধী শনাক্ত করা হচ্ছে। এসব ক্ষতি কাটিয়ে উঠা বর্তমান পরিস্থিতিতে বেশ কঠিন। তবে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তারা বিষয়টি নিয়ে বেশ গুরুত্বের সাথেই অগ্রগামী হচ্ছেন বলেই শুনেছি। নয় রাস্তার সমাহার হিসেবে পরিচিত নগরীর প্রাণকেন্দ্র গোরহাঙ্গা রেলগেট চত্বর, ভদ্রা মোড়, রেলওয়ে স্টেশন ও ঢাকা বাসটার্মিনাল মোড়, তালাইমারি, দড়িখরবনা মোড়, বর্ণালী মোড়, ঘোষপাড়া (মেডিকেল কলেজ এলাকা), সাহেব বাজার জিরো পয়েন্ট, মনিচত্বর, আলুপট্টি, কল্পনা হলের মোড়, বাটার মোড়, লক্ষিপুর মোড়, সিএন্ডবি মোড় (রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স), কোর্ট চত্বর, কোর্ট স্টেশন চত্বর, সিটি হাট মোড়, ফায়ার সার্ভিস মোড়, আমচত্বর, পোস্টাল একাডেমির মোড় সহ জনগুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন রাস্তায় পর্যবেক্ষক ও ‘নিরাপত্তার-রক্ষক’ হিসেবে কাজ করতো সিসি ক্যামেরাগুলো বলে মন্তব্য করেন বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের জেলা কর্মকর্তা। কিন্ত ৫ আগস্টের পর সেগুলো এখন ভঙ্গুর অবস্থায় অকার্যকর বস্তু হিসেবে জানান দিচ্ছে নিজের উপস্থিতির বিষয়টি।

জানতে চাইলে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) নাজমুল হাসান পিপিএম বলেন, সিসিটিভি নতুনভাবে প্রতিস্থাপনের জন্য আমরা রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি। শহরের কোন কোন পয়েন্টগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করলে প্রশাসনের কাজে লাগবে সেসকল পয়েন্টগুলোর তালিকা রাসিক কর্তৃপক্ষকে ইতোমধ্যেই আমরা দিয়েছি। এছাড়া মেট্রোপলিটন পুলিশের নিজস্ব স্থাপনাগুলোতে সিসি ক্যামেরা বসানোসহ বাড়ানো হয়েছে পুলিশি টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি। সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসকসহ দপ্তরের সংশ্লিষ্টদের সাথে পুলিশের বৈঠক হয়েছে। সেখানেই সিসিটিভি স্থাপনের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার উদ্যোগ গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।


সিসি ক্যামেরা স্থাপন পরবর্তী সময়ে রাজশাহী মহানগর পুলিশ চাঞ্চল্যকর বেশ কয়েকটি ছিনতাই, ডাকাতি ও হত্যা মামলার রহস্য দ্রুত সময়ে উদঘাটন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল। নগরবাসীর কাছে পুলিশের তখনকার এসব কর্মতৎপরতা ব্যাপক প্রশংসা পায়। সিসি ক্যামেরাগুলো অকার্যকরবস্থায় থাকার কারণে রাজশাহীতে ঘটে যাওয়া অনেক অপরাধ এখন অন্ধকারেই থেকে যাচ্ছে। দিনের পর দিন সংঘটিত অনেক অপরাধের কিনারা করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে পুলিশকে। ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে মহানগরের নিরাপত্তা ও পুলিশি নজরদারি বাড়ানোর জন্য ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ৬৫টি ক্যামেরা বসিয়েছিল রাজশাহী সিটি করপোরেশন। সেগুলোরও প্রায় একই অবস্থা। সিসি ক্যামেরার অনুপস্থিতিতে অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পাবার সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি অপরাধ সংঘটিত হবার পর অপরাধী সনাক্তে ভোগান্তি বাড়ছে পুলিশের। অপরাধের ক্লু ও আসামীর গতিবিধি সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত ও প্রমাণাধি সংগ্রহে বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হচ্ছে প্রশাসনকে বলে মন্তব্য কর্মরত কর্তা-ব্যক্তিদের। রাজশাহী স্বার্থ সংরক্ষণ কমিটির সদস্য সচিব মাহাফুজুল হাসনাইন হিকোল বলেন, রাজশাহীর জননিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে শহরের প্রতিটি রাস্তায় সিসি ক্যামেরা পুণঃস্থাপনের দাবি আমরা জানিয়ে আসছি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উচিত শহরের নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে অকার্যকর হয়ে পড়ে থাকা সিসি ক্যামেরাগুলো সচল করা।

National