নিজস্ব প্রতিবেদক published: ১২ মার্চ, ২০২৬, ০২:৩০ এএম

মহাপরিচালক, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর দিক নির্দেশনা অনুযায়ী মাদকের বিরুদ্ধে ‘‘জিরো টলারেন্স’’ নীতি অনুসরণ করে রাজশাহী ব্যাটালিয়ন (১ বিজিবি) এর সদস্যগণ সীমান্ত এলাকায় বিশেষ মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করছে।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ১০ মার্চ ২০২৬ তারিখ আনুমানিক ১৮২০ ঘটিকায় ইউসুফপুর বিওপি’র নিয়মিত টহল দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে চারঘাট থানাধীন ইউসুফপুর আমবাগান নামক এলাকায় আভিযান পরিচালনা করে ২৭ পিস ভারতীয় ESKUF সিরাপ (মালিকবিহীন) জব্দ করতে সক্ষম হয়। জব্দকৃত সিরাপ চারঘাট থানায় জমা দেয়া হয়েছে।
এছাড়াও ১১ মার্চ ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ০০৩০ ঘটিকায় সাহেবনগর বিওপি’র নিয়মিত টহল দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে গোদাগাড়ী থানাধীন হনুমন্তনগর এলাকার নিকটস্থ পদ্মা নদীর চরে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনার উদ্দেশ্যে ওৎ পেতে থাকে। দীর্ঘসময় ওৎ পেতে থাকার এক পর্যায়ে, একজন মাদক কারবারীকে একটি টিনের নৌকাযোগে আসতে দেখে বিজিবি’র টহল দল তাকে ধরার জন্য ধাওয়া করলে তার নিকট থাকা টিনের নৌকাটি থেকে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে দ্রুত ভারতের অভ্যন্তরে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিজিবি’র আভিযানিক দল কর্তৃক টিনের নৌকাটি তল্লাশী করে তার মধ্য হতে ০৮ বোতল ভারতীয় মদ ও ৫৫০০ পিস ভারতীয় পাতার বিড়ি এবং ০১ টি টিনের নৌকা (মালিকবিহীন) জব্দ করতে সক্ষম হয়। জব্দকৃত মালামাল রাজশাহী শুল্ক অফিস ও গোদাগাড়ী থানায় জমা দেয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
একই রাত আনুমানিক ০১৪৫ ঘটিকায় ইউসুফপুর বিওপি’র আভিযানিক দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে চারঘাট থানাধীন টাংগন পাঁকা রাস্তা নামক এলাকায় চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ১৫,০০০ পিস ভারতীয় ইলেকট্রিক রেজিস্টেন্স* (মালিকবিহীন) জব্দ করতে সক্ষম হয়। জব্দকৃত ইলেকট্রিক রেজিস্টেন্স রাজশাহী শুল্ক অফিসে জমা দেওয়ার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
এছাড়াও একই দিন আনুমানিক ০৮৫০ ঘটিকায় চরমাজারদিয়া বিওপি’র আভিযানিক দল গোপন তথ্যের ভিত্তিতে দামকুড়া থানাধীন হঠাৎপাড়া নামক এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনার উদ্দেশ্যে ওৎ পেতে থাকে। ওৎ পেতে থাকার এক পর্যায়ে বিজিবি’র আভিযানিক দল কলা বাগানের ভিতরে লোকজনের আনাগোনা শুনতে পেয়ে সুকৌশলে অগ্রসর হলে মাদক ব্যবসায়ীরা বিজিবি’র উপস্থিতি টের পেয়ে তাদের নিকট থাকা একটি পলিথিনের ব্যাগ ফেলে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে বিজিবি’র আভিযানিক দল উক্ত পলিথিনের ব্যাগটি তল্লাশী করে ১৯৭ পিস ভারতীয় ট্যাপেন্টাডল ট্যাবলেট* (মালিকবিহীন) জব্দ করতে সক্ষম হয়। জব্দকৃত মাদকদ্রব্য দাককুড়া থানায় জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।