বাংলাদেশ, সোমবার, মে ২৫, ২০২৬
logo

চাঁদা না দেওয়ায় রাজশাহীতে খড়ির আড়তদারকে মারধরের অভিযোগ


স্টাফ রিপোর্টার published:  ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:২৮ পিএম

চাঁদা না দেওয়ায় রাজশাহীতে খড়ির আড়তদারকে মারধরের অভিযোগ

রাজশাহী নগরীতে চাঁদার টাকা না দেওয়ায় এক খড়ির আড়তদারের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী অকিউল ইসলাম পরশ কাশিয়াডাঙ্গা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।


ঘটনাটি ঘটে গত শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানাধীন কোর্ট স্টেশন মোড় এলাকায়। অভিযোগকারী অকিউল ইসলাম পরশ কাশিয়াডাঙ্গা থানার হড়গ্রাম (পীর সাহেব পাড়া) এলাকার মৃত শরিফুল ইসলামের ছেলে। তিনি সনি বাংলা অনলাইন নিউজ পোর্টালের স্টাফ রিপোর্টার এবং আইন সুরক্ষা ফাউন্ডেশন (আসুফ) রাজশাহী বিভাগের সাধারণ সম্পাদক।


অভিযোগে পরশ উল্লেখ করেন, শুক্রবার সন্ধ্যায় তার খড়ির আড়তের চারপাশে পাকা দেয়াল নির্মাণের কাজ চলছিল। ওই সময় তিনি আড়তে উপস্থিত ছিলেন না। পরে কোর্ট স্টেশন এলাকার বাসিন্দা রাশেদ তাকে ফোন করে আড়তে দেখা করতে বলেন। রাত আনুমানিক ৮টার দিকে আড়তের সামনে গেলে রাশেদ (২৬) সহ রাতুল (২৬), রাফি (২৩), রহমত (২৫), স্বাধীন (২৫), পিংকু মারুফ (২২), তারেকসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০–১৫ জন সেখানে উপস্থিত হয়।


এ সময় তারা আড়তের চারপাশে দেয়াল নির্মাণের জন্য চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অভিযুক্তরা তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।


পরবর্তীতে ওইদিন রাত পৌনে ৮টার দিকে কোর্ট স্টেশন মোড়ের সিএনজি স্ট্যান্ডের দিকে যাওয়ার সময় রাশেদ, রাতুল ও রাফির নেতৃত্বে অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্র, চাইনিজ কুড়াল ও লাঠিসোঁটা নিয়ে তাকে ঘিরে ধরে। অভিযোগে বলা হয়, রাফি তার হাতে থাকা চাইনিজ কুড়াল দিয়ে মাথায় আঘাত করার চেষ্টা করলে প্রাণভয়ে দৌড় দিলে তারা তাকে ধরে রাস্তায় ফেলে মারধর করে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ফোলা ও কালশিরা জখম হয়।


অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, অভিযুক্তরা এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও কিশোর গ্যাংয়ের সঙ্গে জড়িত বলে স্থানীয়দের অভিযোগ রয়েছে।


এ বিষয়ে অভিযুক্ত রাশেদের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।


কাশিয়াডাঙ্গা থানা পুলিশ জানায়, “এ ধরনের একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”