বাংলাদেশ, বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৬, ২০২৬

ডিএনসিসিতে চালু হলো স্মার্ট শৌচাগার ‘যাব কোথায়’

স্বপ্নের বাংলাদেশ বার্তাকক্ষ

ডেস্ক নিউজ

published: 19 November, 2025, 09:31 PM

ডিএনসিসিতে চালু হলো স্মার্ট শৌচাগার ‘যাব কোথায়’

রাজধানীতে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর জনবান্ধব স্যানিটেশনব্যবস্থা গড়ে তুলতে ‘যাব কোথায়’ নামে নতুন একটি মোবাইল অ্যাপ উদ্বোধন করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। বুধবার (১৯ নভেম্বর) বিশ্ব টয়লেট দিবস উপলক্ষে শ্যামলী পার্কে অ্যাপসটির আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ছিলেন ডিএনসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ।


ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, অ্যাপটির মাধ্যমে ঢাকার পাবলিক স্যানিটেশন খাতে নতুন যুগের সূচনা হলো। তিনি জানান, দুই সিটি করপোরেশন মিলে নগরের প্রায় ৬৫০টি স্থানে আধুনিক টয়লেট নির্মাণের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। তিনি বলেন, সামাজিক দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানগুলো এগিয়ে না এলে একা সরকারের পক্ষে এই বিশাল কাজ বাস্তবায়ন সহজ নয়।


ওয়াটারএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর হাসিন জাহান বলেন, ঘরের মতো শৃঙ্খলা ও পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে যদি সবাই পাবলিক টয়লেট ব্যবহার করে, তাহলে এসব সুবিধার রক্ষণাবেক্ষণ আরও সহজ হবে।


ওয়াটারএইড বাংলাদেশের সহযোগিতায় ‘ভূমিজ’ অ্যাপটি তৈরি করেছে। গুগল প্লে স্টোরে থাকা ‘যাব কোথায়?’ অ্যাপের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা নিকটবর্তী টয়লেটের অবস্থান, খোলার সময়সূচি, ছবি, সেবার বিবরণসহ নানা তথ্য পেতে পারবেন। পাশাপাশি রয়েছে কিউআর-কোড স্ক্যান করে ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে ক্যাশলেস প্রবেশের সুবিধা।


এ ছাড়া ওয়াটারএইডের ‘পথের দাবি’ কার্যক্রমের আওতায় চালু হওয়া নতুন ‘স্টার রেটিং সিস্টেম’ টয়লেটের পরিচ্ছন্নতা, নিরাপত্তা, হাত ধোয়ার সুবিধা ও সামগ্রিক সেবার মান মূল্যায়নে সহায়তা করবে। এতে সাধারণ ব্যবহারকারী তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সেবার মান উন্নত রাখতে উৎসাহ পাবে।  ‘যাব কোথায়’ নামে নতুন একটি মোবাইল অ্যাপ উদ্বোধন করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। ছবি: ঢাকা মেইল 

 


বিশ্ব টয়লেট দিবস উপলক্ষে ওয়াটারএইড বাংলাদেশ ডিএনসিসিকে পাঁচটি মোবাইল টয়লেট হস্তান্তর করেছে। এগুলো শহরের ব্যস্ত এলাকায় বসানো হবে, যাতে কর্মজীবী মানুষ, নিম্নআয়ের নাগরিক ও নারী ব্যবহারকারীরা নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য পাবলিক স্যানিটেশন সুবিধা পান।


অনুষ্ঠানে ভূমিজের প্রধান নির্বাহী ফারহানা রশিদ, দুস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক ডা. দিবালোক সিংহসহ ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

National