পুলিশি হয়রানি বন্ধ ও জেলার সর্বত্র চলাচলের অনুমতি প্রদানসহ বিভিন্ন দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অনির্দিষ্টকালে জন্য ধর্মঘট পালন করছেন সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালক ও মালিকরা। এতে করে দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা।
রোববার (২৭ জুলাই) সকাল ৬টা থেকে পুরো জেলায় সিএনজি চালিত অটোরিকশা মালিক ও শ্রমিক ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালিত হচ্ছে।
এর আগে, গতকাল শনিবার (২৬ জুলাই) জেলা সিএনজি চালিত অটোরিকশা পরিবহণ মালিক সমিতির জরুরি বৈঠকে ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়৷ সংগঠনটির সভাপতি মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বলা হয়, সড়কে ট্র্যাফিক পুলিশ প্রতিনিয়ত হয়রানির পাশাপাশি অটোরিকশা আটক এবং ছাড়ানোর জন্য মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করে। এছাড়া বর্তমানে শতাধিক সিএনজি চালিত অটোরিকশা পু্লিশ জব্দ করে রেখেছে বলেও বৈঠকে দাবি করা হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে জব্দকৃত অটোরিকশাগুলো ছাড়াসহ কয়েকটি দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য জেলায় ধর্মঘটের ডাক দেয়া হয়।
এদিকে, ধর্মঘটের কারণে রোববার সকাল থেকে জেলার সিএনজি চালিত অটোরিকশা স্ট্যান্ডগুলো থেকে কোনো অটোরিকশা চলছে না। চালক ও মালিকরা স্ট্যান্ডে বসে ধর্মঘট কর্মসূচি পালন করছেন। এতে করে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা৷ অটোরিকশা না পেয়ে অনেকেই পায়ে হেঁটে গন্তব্যে ছুটছেন। এছাড়া ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ইজিবাইকগুলো বাড়তি ভাড়া নিচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন যাত্রীরা।
জেলা সিএনজি চালিত অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি হেফজুল করিম জানান, কোনো কারণ ছাড়াই ট্র্যাফিক পুলিশ অটোরিকশা চালকদের হয়রানি করেন। গাড়ি আটকে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন। দীর্ঘদিন ধরে অটোরিকশার লাইসেন্স দেয়া বন্ধ রয়েছে। এ সুযোগে পুলিশ প্রতিনিয়ত হয়রানি করে। এ সব কারণে ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ধর্মঘট চলবে।