বাংলাদেশ, শনিবার, জুলাই ১৮, ২০২৬

ডেঙ্গুর থাবা: আরও ৯৪ জন হাসপাতালে, জুলাই মাসেই ১৪ জনের মৃত্যু

Publisher and Editor

ডেস্ক নিউজ

published: 17 July, 2026, 11:27 PM

ডেঙ্গুর থাবা: আরও ৯৪ জন হাসপাতালে, জুলাই মাসেই ১৪ জনের মৃত্যু

দেশে গেল ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে কেউ মারা যায়নি। এ সময়ে এইডিস মশাবাহিত এই রোগ নিয়ে ৯৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে, জুলাই মাসের এ পর্যন্ত মারা গেছেন ১৪ জন।


শুক্রবারের বুলেটিন বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছেন ১১ জন। ২৫ জন ভর্তি হয়েছেন দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালগুলোতে। দুই সিটি করপোরেশনের বাইরে ঢাকায় ভর্তি হয়েছে আরো ৩ জন।

এছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগের হাসপাতালগুলোতে ভর্তি হয়েছেন ১৪ জন। এছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে ভর্তি হওয়া ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ৩১, আর বরিশাল বিভাগে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১০ জন। গেল ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ্য হয়ে ৯৪ জন হাসপাতাল ছেড়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে দেশে ৯ হাজার ৭৭০ জন ডেঙ্গু নিয়ে হসপাতালে ভর্তি হন। এর মধ্যে সুস্থ্য হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৮ হাজার ৮২৬ জন।

১ জানুয়ারি থেকে বুলেটিন বিশ্লেষণে দেখা যায়, বরিশাল বিভাগে সবচেয়ে বেশি ২ হাজার ৪৫৩ জন রোগী ভর্তি হয়। চট্টগ্রামে ১ হাজার ৭২৩ জন, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের বাইরে ১ হাজার ১৭৩ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ৯১৫ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১ হাজার ৪২৫ জন, খুলনায় ১ হাজার ২৭৬ জন, ময়মনসিংহে ৩২৯ জন, রাজশাহীতে ৩২৪ জন, রংপুরে ৭২ জন এবং সিলেটে ৮০ জন রোগী ভর্তি হয়েছিল।

বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ৯৪৪ জন রোগী ভর্তি রয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, ডেঙ্গুতে জানুয়ারিতে ২ জন, ফেব্রুয়ারিতে ২ জন, মে মাসে ১ জন, জুনে ১৩ জন এবং জুলাইয়ের ১৭ দিনে ১৪ জন মারা গেছেন, যা চলতি বছরের কোনো এক মাসে সবচেয়ে বেশি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর তথ্য রাখে ২০০০ সাল থেকে। এর মধ্যে ২০২৩ সালে এ রোগ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যুও হয় ওই বছর।

গেল বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয় চার শতাধিক মানুষের, শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ২ হাজারের মতো।

National