সর্বশেষ
বিরোধী দল দমনে দুদক ব্যবহারের অভিযোগ আসিফ মাহমুদের মীর কাসেমের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে: ডা. শফিক দুই দশক পর সংসদে ফিরে আবেগাপ্লুত মির্জা আব্বাস জামায়াত আমিরের কাছে ব্যবসায়ীদের নানা সমস্যা সাড়ে ৫ মাস পর দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস রামেকের অনিয়ম ও অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট বন্ধের দাবি তানজিদ শুধু বগুড়ার নয়, বাংলাদেশের ছেলে: প্রধানমন্ত্রী অনুকূল পরিবেশ ছাড়া ভারত সফর নয়: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত তফসিল স্থগিতের রিট, যা বললেন ইসি সচিব সাইবার সুরক্ষা ও আইসিটি খাতে একসাথে কাজ করবে বাংলাদেশ-লিথুয়ানিয়া কিশোরগঞ্জে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুলশানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাসব্যাপী সচেতনতামূলক কর্মসূচির উদ্বোধন
logo

তেরোখাদিয়া যেন মরণফাঁদ : উন্নয়নের যাতাকলে পিষ্ট রাজশাহী নগরবাসী!


তানভির মাহাতাব | মহানগর প্রতিনিধি published:  ৩১ জানুয়ারী, ২০২৬, ০১:১৭ এএম

তেরোখাদিয়া যেন মরণফাঁদ : উন্নয়নের যাতাকলে পিষ্ট রাজশাহী নগরবাসী!

রাজশাহী মহানগরীর তেরোখাদিয়া বিভাগীয় স্টেডিয়াম সংলগ্ন প্রধান সড়কটি এখন সাধারণ মানুষের জন্য এক মূর্তিমান আতঙ্ক। উন্নয়নের দোহাই দিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে পাইপ বসানোর কাজ চললেও, সময়মতো শেষ না হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ। ধুলোবালি, যানজট আর যত্রতত্র গর্ত খুঁড়ে রাখায় এলাকাটি এখন যেন এক 'মরণফাঁদে' পরিণত হয়েছে।


সরেজমিনে দেখা যায়, স্টেডিয়ামের পাশ দিয়ে যাওয়া গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির বড় অংশ খুঁড়ে রাখা হয়েছে বড় বড় পাইপ বসানোর জন্য। কিন্তু কাজের গতি এতটাই ধীর যে, স্থানীয়দের অভিযোগ— "একদিনের কাজ হচ্ছে তো তিনদিন বন্ধ থাকছে।"


ধুলার রাজ্যে বসবাস : রাস্তার মাটি স্তূপ করে রাখায় সামান্য বাতাসেই পুরো এলাকা ধুলোবালিতে অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে। এতে শ্বাসকষ্টসহ নানা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন পথচারী ও আশপাশের বাসিন্দারা।


ব্যবসায়িক ধস : রাস্তার দুধারের দোকানপাটে ক্রেতা আসা বন্ধ হয়ে গেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, "দোকানের সামনে গর্ত আর কাদা-বালির কারণে মানুষ এখন এই পথ মাড়াতে চায় না।"


শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি : আশপাশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকায় ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের নিয়ে যাতায়াত করা অভিভাবকদের জন্য এক দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে।

স্থানীয় এক ভুক্তভোগী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "উন্নয়ন আমরাও চাই, কিন্তু মানুষকে জিম্মি করে কেন? কাজ শুরু করার আগে বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা বা দ্রুত শেষ করার কোনো পরিকল্পনা কি প্রশাসনের নেই?"


অ্যাম্বুলেন্স থেকে শুরু করে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি—জরুরি সেবার বাহনগুলোকেও এই এলাকায় এসে দীর্ঘক্ষণ জটলায় আটকে থাকতে দেখা যাচ্ছে। অথচ মাঠ পর্যায়ে তদারকি করার মতো কাউকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

শহরবাসীর প্রশ্ন, আর কতদিন চলবে এই ভোগান্তি? ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি নাকি সমন্বয়ের অভাব—কোন কারণে এই ধীরগতি? দ্রুত এই পাইপ বসানোর কাজ শেষ করে রাস্তাটি চলাচলের উপযোগী না করলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন তেরোখাদিয়াবাসী।