সর্বশেষ
বিরোধী দল দমনে দুদক ব্যবহারের অভিযোগ আসিফ মাহমুদের মীর কাসেমের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে: ডা. শফিক দুই দশক পর সংসদে ফিরে আবেগাপ্লুত মির্জা আব্বাস জামায়াত আমিরের কাছে ব্যবসায়ীদের নানা সমস্যা সাড়ে ৫ মাস পর দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস রামেকের অনিয়ম ও অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট বন্ধের দাবি তানজিদ শুধু বগুড়ার নয়, বাংলাদেশের ছেলে: প্রধানমন্ত্রী অনুকূল পরিবেশ ছাড়া ভারত সফর নয়: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত তফসিল স্থগিতের রিট, যা বললেন ইসি সচিব সাইবার সুরক্ষা ও আইসিটি খাতে একসাথে কাজ করবে বাংলাদেশ-লিথুয়ানিয়া কিশোরগঞ্জে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুলশানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাসব্যাপী সচেতনতামূলক কর্মসূচির উদ্বোধন
logo

কুড়িগ্রামে ওএমএস ডিলার নিয়োগে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে উন্মুক্ত লটারি অনুষ্ঠিত


কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি published:  ২৭ আগস্ট, ২০২৫, ০৪:১২ পিএম

কুড়িগ্রামে ওএমএস ডিলার নিয়োগে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে উন্মুক্ত লটারি অনুষ্ঠিত



কুড়িগ্রামের উলিপুরে ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার নিয়োগের লক্ষ্যে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ও উপজেলা প্রশাসন ও খাদ্য বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এক উন্মুক্ত লটারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।  


বুধবার (২৭ আগস্ট) সকাল ১১টায় উলিপুর উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়াম হলরুমে এ লটারি অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান তত্ত্বাবধানে ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কুড়িগ্রাম সেনা ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর শাহরিয়ার আহাদ।

লটারি অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নয়ন কুমার সাহা, উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মিসবাহুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোশাররফ হোসেন, উলিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) নাজমুস সাকিব সজিব, উপজেলা প্রশাসনিক কর্মকর্তা রিয়াজুল ইসলাম, উপজেলা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী।

রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রতিনিধি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হায়দার আলী মিঞা, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা সেক্রেটারি হাফেজ তৌহিদুল ইসলাম তৌহিদ, এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের উপজেলা সভাপতি মাওলানা আতাউর রহমান।

এছাড়াও প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ, উপজেলার সকল আবেদনকারী ও সর্বস্তরের জনগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, লটারি প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও জবাবদিহিমূলকভাবে সম্পন্ন হয়। সেনাবাহিনীর উপস্থিতি এ প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষের আস্থা আরও সুদৃঢ় করেছে বলে মন্তব্য করেন উপস্থিত জনগণ।