সম্প্রতি নাটোর গুরুদাসপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সবজি হিসেবে ব্যাপক হারে বোম্বাই কালো কচু চাষ বাদ হচ্ছে । এই জাতের সবজি কচুতে লতি এবং কচু দুইটাই হয় । বর্তমানে কাঁচা সবজির বাজারে যখন আগুন । ঠিক তখন নাটোরে উৎপাদিত এই বোম্বাই কালো কচু এবং লতি অনেকটাই জায়গা দখল করে নিয়েছে । ভোক্তাদের সবজির চাহিদা অনেকটাই পুরন হচ্ছে এই বোম্বাই কচু ও লতি দিয়ে । নাটোর গুরুদাসপুর উপজেলার কৃষক আইয়ুব এগ্রো জানান , এই বছরে কচু এবং লতির বাম্পার ফলন হয়েছে । ফলে এলাকার চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী সহ দেশের বিভিন্ন শহর ও হাট বাজার গুলোতে পেরন করা হচ্ছে । বর্তমানে শহর বা বাজার গুলোতে একটি কচূ খুচরা ৮০ টাকা থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে । দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাইকারি হিসেবে একশত কচু ৫ হাজার থেকে ৬ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে ।
এই কচু চাষ এ দিগুণ লাভবান হচ্ছেন চাষীরা । এই কচু চাষ করতে তেমন বেশি মুলধন প্রয়োজন হয় না । বসত বাড়ির আনাচে কানাচে পরিত্যক্ত জায়গায় এবং উঁচু নিচু সমতল বেলে দোআঁশ মাটিতে এই কচু চাষ করা যায় । খুব অল্প সময়ে মধ্যে এই বোম্বাই কচুতে লতি চলে আসে। কচু এবং লতি উভয় রাজধানী সহ দেশের বিভিন্ন শহরে প্রচুর চাহিদা রয়েছে । সুতরাং কৃষকরা তা বাজারজাত করে প্রচুর পরিমাণে অথ উপার্জন করছে। তাই আইয়ুব এগ্রো সাংবাদিক সাক্ষাতে বলেন দেশের যুবক বেকার সমাজ চাকরির পিছনে না ছুটে এই বোম্বাই কচু চাষ করুন এবং বেকারত্ব মুক্ত বাংলাদেশ গড়ুন । এ ছাড়া এখানে চারা উৎপাদন করা হয় । সারা বাংলাদেশ যে কোন জায়গাতে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে চারা পাঠানো হয়।