সর্বশেষ
বিরোধী দল দমনে দুদক ব্যবহারের অভিযোগ আসিফ মাহমুদের মীর কাসেমের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে: ডা. শফিক দুই দশক পর সংসদে ফিরে আবেগাপ্লুত মির্জা আব্বাস জামায়াত আমিরের কাছে ব্যবসায়ীদের নানা সমস্যা সাড়ে ৫ মাস পর দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস রামেকের অনিয়ম ও অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট বন্ধের দাবি তানজিদ শুধু বগুড়ার নয়, বাংলাদেশের ছেলে: প্রধানমন্ত্রী অনুকূল পরিবেশ ছাড়া ভারত সফর নয়: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত তফসিল স্থগিতের রিট, যা বললেন ইসি সচিব সাইবার সুরক্ষা ও আইসিটি খাতে একসাথে কাজ করবে বাংলাদেশ-লিথুয়ানিয়া কিশোরগঞ্জে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুলশানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাসব্যাপী সচেতনতামূলক কর্মসূচির উদ্বোধন
logo
এসএস পাওয়ারকে এলসি সুবিধা

এস আলমের প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সুবিধা বাংলাদেশ ব্যাংকের


Publisher and Editor   published:  ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:১৮ এএম

এস আলমের প্রতিষ্ঠানকে বিশেষ সুবিধা বাংলাদেশ ব্যাংকের

এস আলম গ্রুপের প্রতিষ্ঠান এস এস পাওয়ার-১ লিমিটেডকে কাঁচামাল আমদানির জন্য বিশেষ শর্তে ঋণপত্র (এলসি) খোলার সুযোগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর ফলে প্রতিষ্ঠানটি কাঁচামাল আমদানির জন্য ঋণপত্র (এলসি) খুলতে পারবে।


রোববার (১৬ আগস্ট) এ-সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।


এতে বলা হয়েছে, ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংক কোম্পানি আইনের ২৭কক (৩) ধারার বিধান এস এস পাওয়ার-১ লিমিটেডের ক্ষেত্রে কার্যকর হবে না। ফলে প্রতিষ্ঠানটি রূপালী ব্যাংকের মাধ্যমে শতভাগ মার্জিন জমা দিয়ে শুধু কাঁচামাল আমদানির জন্য এলসি খুলতে পারবে।


তবে এই সুবিধার আওতায় কোনো ঋণ বা অর্থায়ন করলে তার দায় সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংক নেবে না। ভবিষ্যতে এ ধরনের অর্থায়নের বিপরীতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা সরকারের কাছ থেকে কোনো আর্থিক সহায়তাও দাবি করতে পারবে না সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান।


সাধারণ নিয়মে কোনো ব্যবসায়িক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান ঋণখেলাপি হলে একই গ্রুপের অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোও নতুন ঋণ বা ঋণসুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধের মধ্যে পড়ে। এস আলম গ্রুপের ঋণখেলাপি অবস্থার কারণে এস এস পাওয়ারের এলসি খোলার ক্ষেত্রেও এ ধরনের জটিলতা তৈরি হয়েছিল।


বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে এস এস পাওয়ার প্ল্যান্টটি বন্ধ রয়েছে। দেশে বিদ্যুতের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার এ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পরই কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ বিষয়ে নির্দেশনা জারি করেছে।


এর আগে বেক্সিমকো গ্রুপের শাইনপুকুর সিরামিকস এবং আবদুল মোনেম গ্রুপের আবদুল মোনেম সুগার রিফাইনারিকেও একই ধরনের বিশেষ সুবিধা দেওয়ার কথা জানা গেছে।


এস আলম গ্রুপের বিষয়ে বাংলাদেশ ফিন্যানশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) এক প্রতিবেদনের তথ্যও সামনে এসেছে। এতে অভিযোগ করা হয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে সাতটি ব্যাংক ও একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নেয় গ্রুপটি। এরপর বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে বিপুল অর্থ আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচারের অভিযোগ উঠে আসে।