বাংলাদেশ, রবিবার, এপ্রিল ১৯, ২০২৬
logo

মেহেরচণ্ডী ফ্লাইওভারে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর অ্যাকশন: তারাবির সময় রেসিং করায় মোটরসাইকেল ভাঙচুর


নিজস্ব প্রতিবেদক published:  ১৪ মার্চ, ২০২৬, ০২:৪৯ এএম

মেহেরচণ্ডী ফ্লাইওভারে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর অ্যাকশন: তারাবির সময় রেসিং করায় মোটরসাইকেল ভাঙচুর

রাজশাহী মহানগরীর মেহেরচণ্ডী ফ্লাইওভারে বেপরোয়া মোটরসাইকেল রেসিংকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। গতকাল ১২ মার্চ ( বৃহস্পতিবার) রাত সাড়ে ৯টার দিকে তারাবির নামাজের সময় মোটরসাইকেলের বিকট শব্দ ও বেপরোয়া গতিতে অতিষ্ঠ হয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী প্রতিবাদে ফেটে পড়ে। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ জনতা বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে।



স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রমজান মাস শুরুর পর থেকেই প্রতিদিন রাতে মেহেরচণ্ডী ফ্লাইওভারে একদল যুবক উচ্চশব্দে সাইলেন্সর বাজিয়ে বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল রেসিং চালিয়ে আসছিল। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে যখন স্থানীয় মসজিদে তারাবির নামাজ চলছিল, তখন বাইকারদের উপদ্রব অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছায়। নামাজের একাগ্রতা নষ্ট হওয়ায় এবং সাধারণ পথচারীদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ায় এলাকাবাসী একজোট হয়ে ফ্লাইওভারে অবস্থান নেয়।



বিক্ষুব্ধ জনতা রেসিংয়ে অংশ নেওয়া কয়েকজন বাইকারকে আটকে ফেলে। এসময় উত্তেজিত জনতার হাত থেকে বাঁচতে কয়েকজন বাইকার তাদের মোটরসাইকেল ফেলে পালিয়ে যায়। জনরোষের মুখে পড়ে সেখানে থাকা অন্তত ২-৩টি মোটরসাইকেল ভাঙচুরের শিকার হয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।



স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, "ফ্লাইওভারটি এখন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে ইফতারের পর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে এই জীবনঘাতী রেসিং। গতকাল তারাবির নামাজের সময় তাদের সাইলেন্সরের বিকট শব্দে নামাজ পড়াই দায় হয়ে পড়েছিল। বারবার নিষেধ করা সত্ত্বেও তারা শোনেনি, তাই এলাকাবাসী আজ প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে।"



এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশ জানায়, খবর পাওয়ার সাথে সাথেই পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। ফ্লাইওভারে বিশৃঙ্খলা ও বেপরোয়া ড্রাইভিং বন্ধে নিয়মিত টহল জোরদার করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।