ডেস্ক নিউজ published: ২০ নভেম্বর, ২০২৫, ০৪:৪৯ পিএম

জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী তালিকায় এবার থাকতে পারে অমুসলিম, নারী ও উপজাতি প্রার্থী। চলমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দলটি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে নির্বাচনে যুক্ত করতে চাচ্ছে।
জামায়াত এবার তার প্রার্থী তালিকায় বিশাল পরিবর্তন আনছে। চলতি আন্দোলনে শরিক দল, নারী, অমুসলিম, জুলাই যোদ্ধা, ছাত্র প্রতিনিধি ও উপজাতিসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করছে দলটি। কেন্দ্রীয় নির্বাচনি টিম বর্তমানে চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করছে, যা উৎসাহ ও চমক তৈরি করছে।
ইতিপূর্বে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার খুলনায় দলীয় সমাবেশে জানিয়েছিলেন, ইসলামপন্থিদের এক ছাতার নিচে আনতে প্রয়োজনে ১০০ আসন ছাড় দেওয়া হবে। তবে ৮ দল এখন সেই অবস্থান থেকে সরে এসে সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, যে আসনে যে প্রার্থী জিতবে তাকে সেই আসন দেওয়া হবে। তারা সবাই সেই প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবেন।
জামায়াতের কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জোবায়ের জানিয়েছেন, শরিকরা এখন আসন ভাগাভাগিতে নেই; তারা চায় বিজয়ী হতে এবং ইসলামকে বিজয়ী করতে। চূড়ান্তভাবে সেই প্রার্থীকে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হবে যে আসন থেকে জিততে সক্ষম।
সূত্রের খবর, প্রাথমিক তালিকায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। অন্তত চারজন সাবেক ভিসি, সম্প্রতি নির্বাচিত বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের কয়েকজন নেতা এবং জুলাই আন্দোলনের সম্মুখসারির নেতাদের মনোনয়ন দেওয়া হতে পারে। এছাড়া অমুসলিম সম্প্রদায় থেকে একাধিক প্রার্থী এবং একজন উপজাতি প্রার্থীও তালিকায় থাকতে পারেন।
জুলাই আন্দোলনের পর অমুসলিম সম্প্রদায়ের মধ্যে জামায়াতের জনপ্রিয়তা বেড়েছে। মন্দির পাহারা, পূজার নিরাপত্তা এবং জানমালের হেফাজতের জন্য তাদের বিশ্বাস অর্জন করেছে দলটি। এছাড়া চূড়ান্ত তালিকায় বেশ কয়েকজন উচ্চশিক্ষিত নারী প্রার্থীও যুক্ত হতে পারেন।