সর্বশেষ
বিরোধী দল দমনে দুদক ব্যবহারের অভিযোগ আসিফ মাহমুদের মীর কাসেমের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে: ডা. শফিক দুই দশক পর সংসদে ফিরে আবেগাপ্লুত মির্জা আব্বাস জামায়াত আমিরের কাছে ব্যবসায়ীদের নানা সমস্যা সাড়ে ৫ মাস পর দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস রামেকের অনিয়ম ও অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট বন্ধের দাবি তানজিদ শুধু বগুড়ার নয়, বাংলাদেশের ছেলে: প্রধানমন্ত্রী অনুকূল পরিবেশ ছাড়া ভারত সফর নয়: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত তফসিল স্থগিতের রিট, যা বললেন ইসি সচিব সাইবার সুরক্ষা ও আইসিটি খাতে একসাথে কাজ করবে বাংলাদেশ-লিথুয়ানিয়া কিশোরগঞ্জে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুলশানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাসব্যাপী সচেতনতামূলক কর্মসূচির উদ্বোধন
প্রচ্ছদ / সারাদেশ
সারাদেশ

রাজশাহীতে ইসরাইলি পণ্য বয়কটের ডাক মেডিকেল ও নার্সিং শিক্ষার্থীদের

রাজশাহীতে ইসরাইলি পণ্য বয়কটের  ডাক মেডিকেল ও নার্সিং শিক্ষার্থীদের

ফিলিস্তিনে দখলদার ইসরাইলের গণহত্যার প্রতিবাদে এবার রাজশাহীর রাজপথে নেমেছেন মেডিকেল ও নার্সিংয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। সোমবার ( ৭ এপ্রিল) নগরীর নওদাপাড়া আমচত্বর এলাকায় তারা বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন পালন করেন। কর্মসূচি থেকে তারা ইসরাইলি সকল পণ্য বয়কটের ঘোষণা দিয়েছেন।


রাজশাহী ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজে এবং ইসলামী ব্যাংক নার্সিং কলেজের পক্ষ থেকে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বিশ্বব্যাপী ‘ডড়ৎষফ ংঃৎরশব ভড়ৎ এধুধ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠান দুটি এ কর্মসূচি আয়োজন করে। এতে কলেজ দুটির শিক্ষক, সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারি, চিকিৎসক এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।


প্রতিবাদী কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল প্রফেসর ডা. কাজী মহিউদ্দিন, গাইনী বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডা. ফাতেমা সিদ্দিকা, এনেসথেসিয়া বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর, অর্থপেডিক্স বিভাগের প্রধান প্রফেসর ডা. আব্দুর রশিদ, মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. আব্দুল্লাহ আল কাফী, প্রফেসর ডা. মামুনুর রশিদ ও পেডিয়াট্রিক্স বিভাগের প্রধান ডা. মফিজুল ইসলাম প্রমুখ। এছাড়া ইসলামী ব্যাংক নার্সিং কলেজ প্রিন্সিপাল রওশন আক্তারা বেগম, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মিজানুর রহমান মিলন কর্মসূচিতে অংশ নেন। 


আয়োজকরা বলেন, ফিলিস্তিনে গণহত্যা মানবতাবিরোধী অপরাধ। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। একইসাথে আর কখনো ইসরাইলি পণ্য ব্যবহার করবো না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কর্মসূচি থেকে ইসরাইলের সকল পণ্য বয়কট করা হলো। এ সময় দেশীয় পণ্য ব্যবহারের প্রতি উদ্বুদ্ধ করেন তারা।

সম্পর্কিত খবর