সর্বশেষ
বিরোধী দল দমনে দুদক ব্যবহারের অভিযোগ আসিফ মাহমুদের মীর কাসেমের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে: ডা. শফিক দুই দশক পর সংসদে ফিরে আবেগাপ্লুত মির্জা আব্বাস জামায়াত আমিরের কাছে ব্যবসায়ীদের নানা সমস্যা সাড়ে ৫ মাস পর দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস রামেকের অনিয়ম ও অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট বন্ধের দাবি তানজিদ শুধু বগুড়ার নয়, বাংলাদেশের ছেলে: প্রধানমন্ত্রী অনুকূল পরিবেশ ছাড়া ভারত সফর নয়: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত তফসিল স্থগিতের রিট, যা বললেন ইসি সচিব সাইবার সুরক্ষা ও আইসিটি খাতে একসাথে কাজ করবে বাংলাদেশ-লিথুয়ানিয়া কিশোরগঞ্জে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুলশানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাসব্যাপী সচেতনতামূলক কর্মসূচির উদ্বোধন
প্রচ্ছদ / শিক্ষা
শিক্ষা
ফল পুনঃনিরীক্ষণে আবেদন শিক্ষার্থীদের

রাজশাহী বোর্ডে এসএসসির ৯৮ হাজার খাতা চ্যালেঞ্জ

রাজশাহী বোর্ডে এসএসসির ৯৮ হাজার খাতা চ্যালেঞ্জ

রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এবারের এসএসসি পরীক্ষার ৯৮ হাজার ৭১০টি খাতা পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন পড়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে।


বুধবার (১৯ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ইফফাত জেরীন। তিনি জানান, কাঙ্খিত ফল না পেয়ে শিক্ষার্থীরা খাতাগুলো পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছেন।


রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর বোর্ডের আওতাধীন বিভাগের আট জেলার ১ লাখ ৭৬ হাজার ৪৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১ লাখ ১২ হাজার ৮৬ জন। পাসের হার ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশ। তাদের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ হাজার ১১৩ জন।


ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, গত সাত বছরের মধ্যে এবারই রাজশাহী বোর্ডে এসএসসির ফল সবচেয়ে খারাপ হয়েছে। ২০২০ সালে পাসের হার ছিল ৯০ দশমিক ৩৭ শতাংশ। ২০২৬ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৬৩ দশমিক ৬৭ শতাংশে। অর্থাৎ ছয় বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ২৬ দশমিক ৭০ শতাংশ পয়েন্ট।


রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর ইফফাত জেরীন বলেন, গত ১০ আগস্ট সকাল ১০টায় এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এরপর খাতা পুনর্নিরীক্ষণের জন্য আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হয়। আবেদনের শেষ সময় ছিল ১৭ আগস্ট। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে ৯৮ হাজার ৭১০টি খাতা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন জমা পড়ে।


তিনি আরও বলেন, ‘সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে ইংরেজি বিষয়ে। এরপর রয়েছে গণিত। অন্যান্য বিষয়েও আবেদন পড়েছে। তবে আবেদনগুলো বিষয় কোড অনুযায়ী হওয়ায় এই মুহূর্তে কোন বিষয়ে কতটি আবেদন পড়েছে, তা সুনির্দিষ্টভাবে বলা যাচ্ছে না।’

সম্পর্কিত খবর