সর্বশেষ
বিরোধী দল দমনে দুদক ব্যবহারের অভিযোগ আসিফ মাহমুদের মীর কাসেমের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে: ডা. শফিক দুই দশক পর সংসদে ফিরে আবেগাপ্লুত মির্জা আব্বাস জামায়াত আমিরের কাছে ব্যবসায়ীদের নানা সমস্যা সাড়ে ৫ মাস পর দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস রামেকের অনিয়ম ও অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট বন্ধের দাবি তানজিদ শুধু বগুড়ার নয়, বাংলাদেশের ছেলে: প্রধানমন্ত্রী অনুকূল পরিবেশ ছাড়া ভারত সফর নয়: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত তফসিল স্থগিতের রিট, যা বললেন ইসি সচিব সাইবার সুরক্ষা ও আইসিটি খাতে একসাথে কাজ করবে বাংলাদেশ-লিথুয়ানিয়া কিশোরগঞ্জে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুলশানে ডেঙ্গু প্রতিরোধে মাসব্যাপী সচেতনতামূলক কর্মসূচির উদ্বোধন
প্রচ্ছদ / আইন আদালত
আইন আদালত

রাজশাহীর মোহনপুরের দেশ কোল্ড স্টোরেজে সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনায় দুই জনকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি

রাজশাহীর মোহনপুরের দেশ কোল্ড  স্টোরেজে  সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনায় দুই জনকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি


মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঢাকার আশুলিয়া ও গাজীপুরের কোনাবাড়ি থেকে ডাকাত দলের সদস্য সাজেদুল শেখ ও রুবেলকে গ্রেফতার করে।

বুধবার দুপুরে রাজশাহী নগরীর উপশহরে সিআইডি কার্যালয়ে এনিয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার এএএম হুমায়ুন কবীর জানান, গত ৭ আগষ্ট রাজশাহীর মোহনপুরের দেশ কোল্ড স্টোরেজে শ্রমিকদের হাত পা বেধেঁ ৬৬ লাখ টাকার বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি, তামার তার ও নগদ প্রায় সাড়ে ৩ লাখ টাকা ডাকাতির ঘটনা ঘটে। এঘটনায় মামলা দায়েরের পর সিআইডি তদন্ত শুরু করে। প্রযুক্তির সহায়তায় দুই জনকে গ্রেফতার করে চুরির কাজে ব্যবহারিত মালামাল উদ্ধার করে। তাদের আদালতে প্রেরণ করে রিমান্ডে চাওয়া হবে। রিমান্ড মঞ্জুর হলে আরো জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। 

গ্রেফতারকৃতদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে সিআইডি পুলিশ সুপার জানান, সিরাজগঞ্জের বেলকুচির বাবা ও ছেলে সাদেক ও হাসান বর্তমানে ঢাকায় থেকে এই ডাকাত দল পরিচালনা করেন। তাদের নেতৃত্বে অন্তত ৫০ জনের একটি দল ট্রাক নিয়ে সারাদেশের কলকারখানা থেকে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি, তামার তার ডাকাতি করে। এই দলেরই

১৪ জন রাজশাহী দেশ কোল্ড স্টোরেজে ডাকাতিতে অংশ নিয়েছিল। বাকীদের গ্রেফতারে কাজ চলছে। 

তিনি আরো জানান, রাজশাহীতে অংশ নেয়া ডাকাত দলের ৮ সদস্য নাটোর চিনিকলে ডাকাতির সাথে সম্পৃক্ত ছিল৷ এই গ্রুপটি রংপুর চিনি কলে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। 

হুমায়ুন কবীর জানান, এই ডাকাত চক্রের সদস্যদের অধিকাংশ সিরাজগঞ্জে। তারা ঢাকায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করে। এই চক্রের দুজন সারা দেশে ঘুরে ঘুরে তথ্য সংগ্রহ করে। পরে দলের প্রধান বাবা ও ছেলো ডাকাতির স্থান নির্ধারণ করে জানিয়ে দেয়। একটা ডাকাতির ঘটনায় ১০ থেকে ১৫ জন অংশ নেন। এর বিনিময়ে প্র্যতেকে ১৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা পারিশ্রমিক পায়।

সিআইডি জানিয়েছে, ডাকাতির জন্য তারা দুটি নম্বরবিহীন পিকাপ ভ্যান ব্যবহার করে। একটা মোবাইল ও সিম একবার ব্যবহার করে ফেলে দেয়। এই দলের সদস্যদের অধিকাংশের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে।

সম্পর্কিত খবর